ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনের ইতিহাস
ড. মুহা: সাইফুল ইসলাম আযহারী
☆সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী উদাযাপনকারী সম্পর্কে আল্লামা ইবনে কাছীর (র.) البداية والنهاية নামক ইতিহাসের কিতাবে বলেন: মালেক মুজাফ্ফর আবু সাঈদ বিন জয়নুদ্দিন (আরবলের বাদশাহ)। তিনি প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসে স্বীয় শহরে জৌলুসর্পূণভাবে বিরাট মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করতেন। তথায় বহু সুফী, আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকতেন। তিনি একজন বেনজির বীর, আলেম, বিচারক ছিলেন।
মিলাদুন্নবী সম্পর্কে সর্বপ্রথম কিতাব রচনা করেন ইবনে দাহিয়াহ (র.) যার নাম ছিল : التنوير بمولد البشير النذير এবং এর জন্য তাকে একহাজার দিনার উপঢৌকন দেওয়া হয়।[1]
☆এ বাদশাহর ব্যাপারে ইমাম জাহাবী (র.) তদ্বীয় سير أعلام النبلاء কিতাবে বলেছেন :
كان متواضعا ،خيرا، سنيا يحب الفقهاء والمحدثين
তিনি ছিলেন বিনয়ী, সৎ, মর্যাদাবান। তিনি ফকিহগণ ও মুহাদ্দিসগণকে ভালোবাসতে ও পছন্দ করতেন।
☆প্রখ্যাত আলেম ইবনে জাওযী (র.) এর নাতি ইমাম ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ সাবত (র.) বলেন :
وكان يحضر عنده في المولد أعيان العلماء والصوفية
মিলাদুন্নবী উদযাপনকালে তার নিকট আলেম ও সুফীদের নেতৃস্থানীয়গণ উপস্থিত হতেন।
বলা হয়ে থাকে যে, সর্বপ্রথম ফাতেমী খেলাফতের লোকজনই মিলাদুন্নবী উদযাপন করেন। আর তারা হলো শিয়া, রাফেযীমতালম্বী আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার নাতি পূতী। এ কথার প্রবর্তক হলেন আল্লামা ইবনে কাছীর (র.)। তিনি البداية والنهاية নামক ইতিহাসের কিতাবের ১ম খন্ডের ১৭২ নং পৃষ্ঠাতে বলেন :